• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :

ছাত্রলীগ কর্মীকে শিক্ষক না করায় চবিতে ভিসির কার্যালয়ে ভাঙচুর

সিসি নিউজ ডেস্ক।। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষক পদে ছাত্রলীগকর্মীকে নিয়োগ না দেওয়ায় উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে শাখা ছাত্রলীগের একাকার গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। এ সময় বেশ কিছু নাশতার প্লেট ও ফুলের টব ভেঙে ফেলা হয়। পাশাপাশি শহরগামী বিকেল সাড়ে ৫টার সাঁটল ট্রেনও আটকে দেন ছাত্রলীগকর্মীরা।

আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভেতরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪১ তম সভা চলছিল।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে সিন্ডিকেটের ৫৪১ তম সভা বসে। এই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্সসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়। এ সময় সভা চলাকালে উপাচার্যের কার্যালয়ে হঠাৎ ভাঙচুর চালায় ছাত্রলীগের একাকার গ্রুপের কর্মীরা। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শহরগামী বিকেল সাড়ে ৫টার ট্রেনও আটকে দেন তাঁরা। সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সাঁটল ট্রেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শহরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে একাকার গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মইনুল ইসলাম রাসেল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স বিভাগে আমাদের গ্রুপের এক কর্মী শিক্ষকের জন্য আবেদন করেছিল। সে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক প্রাপ্ত। কিন্তু প্রশাসন তাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ না দিয়ে জামাত-শিবির, কোটা আন্দোলনকারী, সরকার বিরোধী কার্যক্রমে জড়িত এমন বেশ কয়েকজনকে নিয়োগ দিয়েছে। এর প্রতিবাদে আমাদের ছেলেরা উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে। একই সময় সাঁটল ট্রেনও অবরোধ করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত জামাত-শিবির মদদপুষ্ট প্রার্থীকে বাদ দেওয়া না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ট্রেন অবরোধ থাকবে। প্রয়োজনে শিক্ষক বাসও অবরোধ করব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূইয়া বলেন, ‘কে বা কারা উপাচার্যের কার্যালয়ের বারান্দায় ভাঙচুর করেছে, আমরা তাদের চিহ্নিত করতে পারিনি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ